March 9, 2026, 11:05 am

News Headline :

অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে দমন করুন

ঈদ সামনে রেখে ভেজালকারীরা বরাবরের মতো এবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যেন ঈদ এলে তা এক আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেয়। জানা গেছে, ঈদকে ঘিরে পাবনার প্রধান দুধ উৎপাদনের এলাকাগুলোয় ভেজালকারীরা ভেজালের নেশায় মেতে উঠেছে। ঈদের মতোই উৎসবমুখর যেন তাদের ব্যবসা। পাবনা জেলার বেড়া, সাঁথিয়া, ফরিদপুর ও ভাঙ্গুরা দুধের সবচেয়ে কর্মমুখর উৎপাদন এলাকা। সাম্প্রতিককালে অবশ্য চাটমোহর ও সুজানগরেও দুধের অনেক খামার গড়ে উঠেছে। সর্বত্রই চলছে ভেজালের কারবার। নামিদামি প্রতিষ্ঠানের মোড়কে ভেজাল ঘি-কে চালানো হচ্ছে খাঁটি ঘি হিসাবে। ওদিকে আবার দুধ প্রক্রিয়াজাতকারী নামিদামি বিভিন্ন কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে ভেজাল দুধের ব্যবসা চলছে ধুমসে। এসব এলাকায় ভেজালের ব্যবসা এতটাই জমজমাট যে, কিছুদিন আগে প্রকাশ পেয়েছে, ছানা-ঘির এমন কারখানার শ্রমিকও এখন কোটিপতি। ঈদ সামনে রেখে দেশের প্রধান দুধ উৎপাদন এলাকায় যে ভেজাল ব্যবসার মহামারি চলছে, তা রোধ করতে হবে এখনই। প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, পাবনা জেলায় সাড়ে ৯ হাজারেরও বেশি খামারসহ ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেকে গাভি লালন-পালন করেন। এই জেলায় বছরে ৩ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন দুধ উৎপাদিত হয়। এত বিশাল যে দুধের বাজার, সেই বাজার ঠিকমতো মনিটর করা না হলে দুধের মতো একটা পুষ্টিকর পানীয় নিয়ে নানা অসাধু ব্যবসা হতে পারে বৈকি। দুধে ভেজাল মানে, তা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। যেসব প্রতিষ্ঠান পাবনা এলাকা থেকে দুধ ক্রয় করে থাকে, তাদেরও উচিত ক্রয় করা দুধের পরিশুদ্ধতা পরীক্ষা করে দেখা। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থাগুলোকেও বিষয়টিতে সচেতন হতে হবে অবশ্যই। দুধ প্রক্রিয়াজাত করে থাকে যেসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি, ভেজালের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিষয়ে নিতে হবে আইনগত ব্যবস্থা। শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনেও অনেককে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তদন্ত চালানো গেলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে। বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © All rights reserved © 2024 DailyBiplobiBangladesh.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com