March 9, 2026, 12:27 pm
বিপ্লবী ডেস্ক ॥
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের আগে আগামী ১৪ মার্চ সকাল ১০টায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সভা শেষে তিনি একথা জানান। ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, মাসিক ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০,০০০ টাকা, যা থেকে ইমাম ৫০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন ৩০০০ টাকা এবং খাদেম ২০০০ টাকা করে পাবেন। প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮০০০ টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫০০০ টাকা এবং সেবাইত ৩০০০ টাকা পাবেন। প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য ৮০০০ টাকা, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫০০০ টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩০০০ টাকা পাবেন। প্রতি চার্চের জন্য ৮০০০ টাকা, যা পালক/যাজককে ৫০০০ টাকা, সহকারী পালক/যাজককে ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে। ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে যেসব প্রধান প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে, এর মধ্যে ‘ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা’ অন্যতম একটি প্রতিশ্রুতি। সরকারের এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ঈদুল ফিতরের আগেই মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মাসিক সম্মানী দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার প্রথম পর্যায়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই একটি পাইলট স্কিমের আওতায় মাসিক সম্মানী চালু করার লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, সারা দেশে ৭২টি উপজেলায় বৌদ্ধবিহার অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার ও ১৯৮টি উপজেলায় গির্জা অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৩৯৬টি গির্জা নির্বাচন করেছে। এ ছাড়া প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতে এক হাজার টাকা করে এবং দুর্গাপুজা, বৌদ্ধ পুর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ, বিহার উপাধ্যক্ষ, যাজক ও সহকারী যাজকদের দুই হাজার করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। এই সম্মানী দেওয়ার জন্য চলতি অর্থবছরে ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচিত সকল উপকারভোগীদের কাছে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সম্মানী পাঠানো হবে।
Leave a Reply