সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ:
বাবুগঞ্জের সুগন্ধা নদীর তীরে পাইরোলাইসিস কারখানা, ৭ দিনের মধ্যে বন্ধে বেলার আইনি নোটিশ বরিশালে নদীতে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ বরিশালে বেডরুমের এসি থেকে উদ্ধার চারটি কালনাগিনী সাপ মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবারকেও ধ্বংস করে-গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর নিখোঁজের দুই দিন পর সমুদ্রে মিলল ভাসমান জেলের লা*শ বোরহানউদ্দিনে অবৈধ ড্রেজার, বাল্কহেডসহ আটক ১৫ বরগুনা জেলেদের চাল আত্মসাত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে থাকবে চীন-শি জিনপিং বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে আলোচিত ‘মিন্নি’ কর্মচারীদের সন্তানদের বৃত্তি দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, আবেদন যেভাবে

তরমুজে ইঁদুর মারার বিষেই মৃত্যু একই পরিবারের সেই ৪ জনের

প্রতিবেদকের নাম / ১৯ সময় দৃশ্য
আপডেট: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের চার সদস্যের সেই পরিবারটি তরমুজ খাওয়ার ফলে সৃষ্ট খাদ্য বিষক্রিয়ায় নয়, বরং ‌‘বিষক্রিয়ায়’ মারা গেছে। ফরেনসিক পরীক্ষায় নিহতদের দেহে এবং তাদের খাওয়া ফলের নমুনায় ইঁদুর মারার জন্য ব্যবহৃত একটি বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে কর্তৃপক্ষ। ময়নাতদন্তে নিহতদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সবুজ আভা প্রকাশ পাওয়ার কয়েকদিন পর চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা বড় ধরনের মোড় নেয়; যা বিষক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ৪৫ বছর বয়সী আবদুল্লাহ দোকাদিয়া ও তার ৩৫ বছর বয়সী স্ত্রী নাসরিন। সেখানে তাদের দুই মেয়ে—১৩ বছরের জয়নাব ও ১৬ বছরের আয়েশাও ছিল। আত্মীয়দের খাবারের জন্য খাসি পোলাও রান্না করা হয়েছিল।

তারা চলে যাওয়ার পর রাত ১টার দিকে ওই পরিবারটি তরমুজ খায়। এরপর ভোর ৫টার দিকে পরিবারের সবার তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সবাই মারা যান।

 

প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, মৃত ব্যক্তিদের মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড এবং অন্ত্রসহ বেশ কিছু অঙ্গ সবুজ হয়ে গেছে; যা বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে ‘মরফিন’র উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মরফিন এক ধরনের শক্তিশালী ব্যথানাশক; যা সাধারণত কঠোর চিকিৎসাগত নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এই মরফিন তার শরীরে কীভাবে এলো, আগে থেকে কোনও চিকিৎসা চলছিল নাকি কোনও সন্দেহজনক বিষয় রয়েছে সেটিও খতিয়ে দেখছেন তারা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com