February 19, 2026, 11:30 pm

News Headline :
সরকারের কাছে একগুচ্ছ প্রত্যাশা ভোলাবাসীর বরিশালে তাঁতীদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ কাউখালীতে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে শোভাযাত্রা প্রবাসী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানোর অঙ্গীকার নুরের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ চিকিৎসকের যোগদান আমতলীর আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের তিনদিনব্যাপী মাহফিল শুরু পটুয়াখালীতে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ৩৫ গ্রামে আগাম রোজা ও ইফতার বরিশালে ডিস-ইন্টারনেট ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৩ বরিশালে লেবুর হালি ৮০ টাকা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বিসিসির এনেক্স ভবন
ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বিসিসির এনেক্স ভবন

ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বিসিসির এনেক্স ভবন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল সিটি করপোরেশনের বর্ধিত অফিস কার্যালয় ছিল বিবির পুকুর পাড়ের ‘এনেক্স ভবন’। এর নিচতলায় ছিল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয় এবং বিদ্যুৎ অফিস। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভবনটি আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর থেকে অদ্য পর্যন্ত দেড় বছরের অধিক সময়কাল ধরে ভবনটি সেইভাবেই পড়ে আছে। এটি সংস্কারে তেমন কোন কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি। বরিশাল সিটি করপোশেন বলছে, তারা এটি সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছে। একটি কমিটি করে তাদের মাধ্যমে কাজ আগাচ্ছে। এখন আরো একটি কমিটি করে তাদের মাধ্যমে দ্রুত ও ফলপ্রসূ কার্যক্রম বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন তারা। জানা গেছে, ভবনটির তিন তলায় ছিল তৎকালীন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর অফিস কক্ষ। ২য় তলায় ছিল বিসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ ও হিসাব বিভাগের কার্যালয়। নিচতলায় ছিল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়। তাছাড়া নিচতলায় বিদুৎ অফিস ও একটি পাঞ্জেগানা মসজিদও ছিল। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন দেওয়ার পরে ভবনটি পুড়ে যায়। এরপর নিচতলায় পাঞ্জেগানা মসজিদ ব্যতিত ভবনটি পুরো অংশ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমানে শুধুমাত্র নিচতলায় নামাজের স্থানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছেন আগত মুসল্লিরা। অন্যান্য সকল ফ্লাট ও কক্ষ পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার বলেন, এনেক্স ভবনটি পূণঃব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ‘ডিজাইন ভেল্যু আর্কিটেক্ট এন্ড ইঞ্জিনিয়ার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা দশটি পরীক্ষা চালিয়ে রিপোর্ট প্রদান করেন। রিট্রোফাইটিং করে ভবনটি পূণঃব্যবহার করা যাবে বলে সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে ব্যয় হবে অন্তত সাড়ে ৬ কোটি টাকা। স্বপন কুমার বলেন, যেহেতু ইতিপূর্বে ভবনটি কোন অনুমোদিত ডিজাইন পাওয়া যায়নি। তাই এতো টাকা সংস্কারে ব্যয় করলে তা কতটা স্থায়ী হবে অথবা যৌক্তিক হবে সেই বিষয় যাচাই করতে অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের সমন্বয়ে আরেকটি কমিটি করা হয়েছে। তাদের রিপোর্টের পর হয়তো কর্তৃপক্ষ চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন। স্থানীয়রা বলছেন, এটি সরকারের সম্পত্তি। এভাবে বছরের পর বছর ফেলে রাখার কোন যৌক্তিকতা নেই। বিসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকদের উদাসীনতার কারনে এটি এভাবে নষ্ট হচ্ছে। অতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিও জানান তারা। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, বুয়েটের মাধ্যমে সংস্কারের ব্যাপরে যে রিপোর্ট করিয়েছিলাম তাতে সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয় করলে সংস্কার করা যায়। যেহেতু ভবনটি ডিজাইন বিহীন করা হয়েছে। তাই আমরা আরেকটি কমিটি করেছি। তাদের প্রতিবেদন পেলে সিদ্ধান্ত হবে। তিনি আরো বলেন, ডিজাইন বিহীন ভবনে এতো টাকা ব্যয় করে সংস্কার না করাই ভালো। রিপোর্ট পেলে হয়তো এটি ভেঙ্গে ফেলে পূণঃনির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © All rights reserved © 2024 DailyBiplobiBangladesh.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com