April 26, 2026, 1:41 am
স্টাফ রিপোর্টার ॥
বরিশালে দলীয় কর্মী হত্যা এবং চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত, বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার টর্চারসেল ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর বরিশাল সদরের জেলা পরিষদ মার্কেটের ছাদে থাকা অফিস ভাঙচুর করা হয়।এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের নতুন বাজার এলাকায় জেলা পরিষদ মার্কেটের ছাদে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের নামে টর্চারসেল বানিয়ে রেখেছিলেন বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন ।গত ১৮ এপ্রিল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানা ঘেরাও করে এলাকাবাসীর আন্দোলনে মুখে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ১৯ এপ্রিল রাতে জেলা পরিষদ মার্কেটের ছাদে থাকা মিল্টনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর করা হয়।শুক্রবার দুপুরে দ্বিতীয় দফায় কার্যালয়ের অবকাঠোমো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় এলাকাবাসী। এসময় কার্যালয়ের কাঠের অবকাঠামো ভাঙচুরের পাশাপাশি মালামাল খালে নিক্ষেপ করা হয়।অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ মিল্টন ওরফে মিল্টন চৌধুরী নগরীর কাউনিয়া বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। ইতোপূর্বে দলীয় কর্মীকে হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহিষ্কারের পরও বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন মিল্টন। তার অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। এসব কারণে তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে কাউনিয়া থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। ওই দিনেই চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করে মিল্টনকে।এদিকে শুক্রবার জুমা’র নামাজ শেষে মিল্টনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নগরীর কাউনিয়া সাধুর বটতলা এলাকায় বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসায় যান এলাকাবাসী। সেখানে মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে কথা বলেন তারা। ‘তখন মিল্টন দলের কেউ নয় এবং তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান এমপি’। এরপর সেখান থেকে ফিরে নতুন বাজার এলাকায় মিল্টনের কার্যালয়টি দ্বিতীয় দফায় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সনজিৎ কুমার জানান, ‘বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিল্টনের রাজনৈতিক কার্যালয় ভাঙচুর করেছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
Leave a Reply