রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
Logo

মেঘনার দুই ইলিশের মোট ওজন সাড়ে ৩ কেজি, ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি

প্রতিবেদকের নাম / ৪ সময় দৃশ্য
আপডেট: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভোলার মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীতে দুটি বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়েছে, যার মোট ওজন সাড়ে ৩ কেজির বেশি। আজ সোমবার দুপুরে ঢালচর মাছঘাটে নিলামে মাছ দুটি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের ঢালচরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম মেঘনা নদীর মোহনায় মাছ ধরতে যান। মাছ শিকার শেষে আজ দুপুরে তিনি ঢালচরের মাছঘাটে অন্য মাছের সঙ্গে দুটি বড় ইলিশ নিয়ে আসেন। পরে মাছ দুটি শরিফ ব্যাপারীর আড়তে নিলামে তোলা হয়। এর মধ্যে বড়টির ওজন দুই কেজি ২০০ গ্রাম ও অন্যটি দেড় কেজির।

স্থানীয় একাধিক মাছ ব্যবসায়ী বলছেন, একসময় বর্ষা মৌসুমে মেঘনায় নিয়মিত বড় বড় ইলিশ ধরা পড়ত। এখন বড় ইলিশ ধরা পড়ার খবরে মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। মাছঘাটে অনেকে বড় মাছ দেখতে ও ছবি তুলতে ভিড় করেন।

জেলে রফিক মাঝি জানান, গতকাল মেঘনায় জাল ফেলার পর অন্য মাছের সঙ্গে হঠাৎ বড় দুটি ইলিশ ধরা পড়ে। তিনি মাছ দুটি আলাদা করে আড়তে এনে নিলামে বিক্রি করেন।

বড় ইলিশটির ওজন দুই কেজি ২০০ গ্রাম ও অন্যটি দেড় কেজির।

নিলামে ইলিশ দুটি ১৫ হাজার টাকায় কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সাইফুল মোল্লা। পরে আজ দুপুরে মাছ দুটি লঞ্চে করে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। ঢাকায় আরও ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার ভাষ্য, এখন আগের তুলনায় কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে বড় আকারের ইলিশ খুব কম। মূলত আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার সময় ইলিশের প্রজনন মৌসুমে বড় ইলিশ বেশি দেখা যায়।

ইলিশের পরিমাণ কমে যাওয়ার পেছনে নদী ও সাগরের পানিদূষণ, বিষ ও অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার, কৃষিজমির কীটনাশক পানিতে মিশে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রের তাপমাত্রার পরিবর্তন ও ডুবোচর সৃষ্টিসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে বলে জানান জয়ন্ত কুমার। তাঁর মতে, এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com