কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সোনাদিয়া দ্বীপের প্যারাবন ধ্বংস করা হচ্ছে। গত আট বছরে প্রায় ছয় হাজার একর প্যারাবন কেটে ৫০টি চিংড়ি ঘের তৈরি করা হয়েছে। প্যারাবন ধ্বংস ও দখলের সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে ইকো ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সোনাদিয়ার প্রায় ৯ হাজার একর বনভূমি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে (বেজা) বরাদ্দ দেওয়ার পর নির্বিচারে প্যারাবন কাটা শুরু হয়। এই ধ্বংসযজ্ঞ চলে গত বছর পর্যন্ত। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বেজার ইকো ট্যুরিজম পার্ক প্রকল্প বাতিল করে সোনাদিয়াকে রক্ষায় নতুন প্রকল্প নেয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সেই প্রকল্পের অধীনে প্যারাবনের প্রাণবৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা ও অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্যারাবন ধ্বংস ও দখলের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগ একাধিক মামলা করেছে। এতে শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। জড়িত ব্যক্তিরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর মহেশখালীর ইসিএ এবং সংরক্ষিত বনে চিংড়ি ঘের ও লবণ মাঠ তৈরিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের একজন সচিবসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে লিগ্যাল নোটিশ দেয় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। বেলার আইনজীবী এস হাসানুল বান্নার পাঠানো ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সোনাদিয়া দ্বীপে প্যারাবন ধ্বংস করে অন্তত ৫০টি চিংড়ি ঘের তৈরি করা হয়েছে। মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা ও বড়ো মহেশখালী মৌজায় তৈরি করা হয়েছে ১৫টি ঘের।
বেলার আইনজীবী এস হাসানুল বান্না বলেন, ‘গত বছরের ২৩ অক্টোবর উচ্চ আদালত সোনাদিয়া ও আশপাশের ঘটিভাঙ্গা, তাজিয়াকাটা ও হামিদার দিয়া এলাকায় ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংস বন্ধ এবং অবৈধ চিংড়ি ঘের উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। আমরা লিগ্যাল নোটিশের পাশাপাশি আদালতের নির্দেশনা পালনে বিবাদীদের চিঠি দিয়েছিলাম, কিন্তু আদালতের নির্দেশনা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।’
ঝুঁকিতে বিরল প্রজাতির পাখির আবাসস্থল
কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার উত্তরে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত সোনাদিয়া দ্বীপ। এটি লাল কাঁকড়া, কাছিম ও বিরল প্রজাতির পাখির আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। দ্বীপটির কাদাময় চরভূমি ও বালুর সৈকত ভিন্ন ভিন্ন বৈচিত্র্যের অনেক বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার উপকূলীয় পরিযায়ী পাখি, যেগুলো হাজার হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এখানে আসে। বিশেষ করে পৃথিবীর অন্যতম বিরল ও মহাবিপন্ন পাখি, স্পুন-বিলড স্যান্ডপাইপারের জন্য সোনাদিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
সোনাদিয়ার প্যারাবনে ২৫০ প্রজাতির মাছ, ১৫০ প্রজাতির শামুক ও ঝিনুক, ৫০ প্রজাতির কাঁকড়া, ৪০ প্রজাতির চিংড়ি, ১৭০ প্রজাতির পাখি, ৫০ প্রজাতির বালিয়াড়ী উদ্ভিদ, ১৫ প্রজাতির ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ, তিন প্রজাতির ডলফিন, সামুদ্রিক কাছিম, মেছো বাঘ, শিয়াল, সাপ, গুইসাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর বসবাস ছিল। যার অর্ধেকের বেশি এখন বিলুপ্ত।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এবং হালদা নদী গবেষক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, সোনাদিয়া দ্বীপের ম্যানগ্রোভ বন কেবল একটি উপকূলীয় বনভূমি নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান প্রতিবেশ ব্যবস্থার ভিত্তি। এখানে শুধু পানির ওপর নয়, মাটির নিচেও ব্যাপক প্রাণবৈচিত্র্য রয়েছে। প্যারাবন কাটা হলে এসব ধ্বংস হয়ে যাবে। যে কোনো মূল্যে প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘের তৈরি বন্ধ করতে হবে।
ইকো ট্যুরিজম পার্কের ফাঁদ
পরিবেশ অধিদপ্তর ২০০৬ সালে দ্বীপটিকে ইসিএ ঘোষণা করে। আইন অনুযায়ী, সোনাদিয়ার মাটি, পানি ও প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ধরনের পরিবর্তন বা বাণিজ্যিক রূপান্তর নিষিদ্ধ। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যকর নিষিদ্ধ) সরকার ইকো ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এক হাজার এক টাকার বিনিময়ে সোনাদিয়ার ৯ হাজার ৪৬৬ দশমিক ৯৩ একর বনভূমি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে (বেজা) বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে আট হাজার একরই ছিল প্যারাবন। ২০১৭ সালের মে মাসে বেজা উপকূলীয় বন বিভাগের কাছ থেকে জমি গ্রহণ করলেও ইকো ট্যুরিজম প্রকল্পের অগ্রগতি হয়নি। বেজার কাছে জমি হস্তান্তরের পর বন বিভাগের সোনাদিয়া কার্যালয় বন্ধ ও টহল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এই সুযোগে গত বছর পর্যন্ত বেজার অধীনে থাকা প্যারাবন নির্বিচারে দখল ও ধ্বংস করা হয়েছে।
সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্কের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক হাবিব উল্লাহ বলেন, ‘আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন সীমিত জনবল দিয়ে প্যারাবন রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তবে ওই দুর্গম এলাকায় দখলদাররা বেশ প্রভাবশালী।’
মিলেমিশে প্যারাবন ধ্বংস
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ২৫০০ একর প্যারাবন দখল করে ২০টির বেশি চিংড়ি ঘের নির্মাণের অভিযোগ ওঠে। এ ক্ষেত্রে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য আলমগীর মোহম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের সংশ্লিষ্টতারও অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, এমপি ফরিদের নির্বাচনী খরচের একটা বড় অংশ অবৈধ চিংড়ি ঘের থেকে এসেছে। এ কারণে ফরিদ নির্বাচিত হওয়ার পর প্যারাবন কেটে অবৈধ চিংড়ি ঘের তৈরি করে বিনিয়োগ তোলায় সচেষ্ট তাঁর অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মীরা।
২০২২ সালে সোনাদিয়ার পশ্চিমাংশে প্রায় তিন হাজার একর প্যারাবন উজাড় করে ৩৭টি চিংড়ি ঘের করেন তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের মার্চে প্যারাবন দখলকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হন।
গত বছরের ১৭ মে সোনাদিয়ার প্যারাবন ধ্বংস ও জীববৈচিত্র্য বিনষ্টের অভিযোগে বিএনপি নেতা আলমগীর চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। মামলার অধিকাংশ আসামি স্থানীয় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ কামাল, তাঁর ছোট ভাই শেখ আলমগীর; কুতুবজোম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি আবুল কালাম, তাঁর ভাগনে আবদুল মোনাফ; স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইমতিয়াজ উদ্দিন; সোনাদিয়া দ্বীপের ইউপি সদস্য একরাম মিয়া; আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিকের ফুফাতো ভাই মোহাম্মদ শমসের উল্লাহ; ঘটিভাঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক; উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা আনোয়ার প্রমুখ।
উপকূলীয় বন বিভাগ গত বছরের ২ এপ্রিল বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের ৩০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় জামায়াত নেতা ছৈয়দুল হক সিকদার, মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল করিম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মকছুদ মিয়ার ছোট ভাই কাইসার সিকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরীর ছেলে মোস্তফা আনোয়ার ও মহসিন আনোয়ার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের ছোট ভাই মোহাম্মদ শাহেদ প্রমুখ।
গত শুক্রবার জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আলমগীর মোহম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ সমকালকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি এসবে নেই। বরং সোনাদিয়াকে রক্ষায় আমি কাজ করে যাচ্ছি।’ তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তর আপনার অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করল কেন, জানতে চাইলে এমপি বলেন, ‘উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিকের আত্মীয়রা বর্তমানেও সোনাদিয়ায় ১৪০০ একর প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘের তৈরি করছে বলে শুনেছি।’
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘সোনাদিয়ায় আমি যাইও না, ওখানে আমার কোনো চিংড়ি ঘেরও নেই।’ তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তর প্যারাবন কাটার অভিযোগে আপনার বিরুদ্ধে মামলা করল কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আসল ব্যাপার হলো, আগে যারা প্যারাবন কাটত, এখনও তারাই কাটছে, তবে চেহারা পাল্টেছে।’
বিএনপি নেতা আলমগীর চৌধুরী ও জামায়াত নেতা ছৈয়দুল হক সিকদারও প্যারাবন কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, ‘সোনাদিয়ার প্যারাবন ধ্বংসে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে প্যারাবন রক্ষায় প্রশাসন সব সময় সচেষ্ট। কিছুদিন আগেও উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কটেজ উচ্ছেদ করেছে। অবৈধ চিংড়ি ঘের উচ্ছেদেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ ফয়সাল বলেন, ‘প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘের তৈরির সঙ্গে যারা জড়িত আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। মামলাগুলোর তদন্ত চলছে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।’
অসহায় বন বিট
ছোট্ট একটি কাঠের জেটি। সোনাদিয়া খাল থেকে উঠে সেটি দিয়ে ৫০০ গজ সামনে গেলে চোখে পড়ে দোতলা একটি ভবন। এটি উপকূলীয় সোনাদিয়া বিট কর্মকর্তার কার্যালয়। কার্যালয়ে বিদ্যুৎ নেই। গত বুধবার দুপুরে কথা হয় বিট কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আজাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘অফিসে ছয়জন কর্মচারী। এই দুর্গম এলাকায় দখলদারদের রুখতে আমাদের কাছে তেমন কিছুই নেই। তবু আমরা প্যারাবন কাটার খবর পেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযানে যাই, অবৈধ চিংড়ি ঘেরের বাঁধ কেটে দিই। আমাদের করার সামর্থ্য এতটুকুই।’
বিট কার্যালয়ের নিচে খোলা মাঠে ঘাসের ওপর বসে ছিলেন সত্তরোর্ধ আবু তাহের। একসময় তিনি সোনাদিয়া প্যারাবনে মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্যারাবন কমে যাওয়ায় একটা সময় সেখানে মহিষ লালনপালন কঠিন হয়ে পড়ে। পরে তিনি ম্যানগ্রোভ বনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে মাছ ধরতেন। এখন আর আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না।
তাহের বলেন, ‘প্যারাবন ধ্বংসের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের ওপর, বিশেষ করে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের জীবনে। আগে আমরা দিনে দুই হাজার টাকার মাছ পেতাম। এখন ৫০০ টাকারও পাই না।’
সোনাদিয়া রক্ষায় নতুন প্রকল্প
বেজার ইকো ট্যুরিজম পার্ক প্রকল্প বাতিলের পর সোনাদিয়ার বনভূমি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সোনাদিয়ার প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা ও অবৈধ দখল উচ্ছেদে ‘প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু সহনশীলতার জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বন অধিদপ্তরের সক্ষমতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
প্রকল্প পরিচালক ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান সমকালকে বলেন, সোনাদিয়ার দখলদারদের উচ্ছেদের জন্য নৌবাহিনীকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে কিছু অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। শিগগিরই সব অবৈধ চিংড়ি ঘের উচ্ছেদ করা হবে।