রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ:

যুবদল কর্মী হত্যাকাণ্ড: দুই আসামির বাড়িতে আগুন

প্রতিবেদকের নাম / ০ সময় দৃশ্য
আপডেট: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

বরিশালের উজিরপুরে যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই আসামির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের আলামদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মাইক্রোবাসসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে নয়জনকে।

পুলিশ জানায়, অগ্নিসংযোগের খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যায়।

উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, একটি টিনের ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সেখানে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় ঘরটি পুড়ে যায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আরও একটি ঘরে আগুন দেওয়ার খবর পেয়েছেন তিনি। কাওসার হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে এসব ঘটনা ঘটেছে। তবে কারা আগুন দিয়েছে, তা শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামদী গ্রামের খালপাড় বড় ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি সজল মোল্লার বাড়ি এবং ভরচ্ছন্ন এলাকার নান্না মোল্লার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। শনিবার এশার নামাজের পর জানাজা শেষে কাওসারের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহতের মেজ ভাই মোস্তফা হাওলাদার বাদী হয়ে এদিন উজিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা ও বরিশাল থেকে মাইক্রোবাস ও তিনটি মোটরসাইকেলে করে সশস্ত্র একটি দল সাতলা-কান্দি সড়কের উজিরপুর-কোটালীপাড়া সীমান্ত এলাকার একটি সেতুর ওপর কাওসার হাওলাদার ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাশেদ আমিনের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা সেতু থেকে পানিতে ঝাঁপ দেন। পরে পাশের হাবিব হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেন।

অভিযোগ রয়েছে, ১৫ থেকে ২০ জনের সশস্ত্র দলটি তাঁদের ধাওয়া করে ওই বাড়িতে ঢোকে। দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে খাটের নিচ থেকে কাওসারকে বের করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এ সময় দরজার আড়ালে লুকিয়ে প্রাণে বাঁচেন রাশেদ।

পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কাওসারকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার রাতে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে প্রযুক্তির সহায়তায় মাইক্রোবাসসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সজল মোল্লা, শামীম মোল্লা, তরিকুল ইসলাম, সোহাগ, সাগর শেখ, হাসিব শেখ, হাবিব শেখ, মাহাবুবুর রহমান ও শরীফ হোসেন। তাঁদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com